স্বর্ণের সুতো: যে নেটওয়ার্ক লোপাট করেছে সরকারি ব্যাংকের ২,৪০০ কোটি টাকা
এক বছরের অনুসন্ধানে বর্ণজয় প্রকাশ করছে কীভাবে ৩২টি ভূয়া কোম্পানির একটি নেটওয়ার্ক সরকারি ব্যাংক থেকে সুদমুক্ত ঋণ নিয়ে লোপাট করেছে — এবং কীভাবে ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক এই প্রক্রিয়া এত দিন চেপে রেখেছিল।
তানভীরুল ইসলাম
এক বছরের অনুসন্ধানে বর্ণজয় প্রকাশ করছে কীভাবে ৩২টি ভূয়া কোম্পানির একটি নেটওয়ার্ক সরকারি ব্যাংক থেকে সুদমুক্ত ঋণ নিয়ে লোপাট করেছে — এবং কীভাবে ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক এই প্রক্রিয়া এত দিন চেপে রেখেছিল।
আমাদের প্রতিবেদক দল তিন মাস ধরে ৩২টি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করেন। দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি কোম্পানির একই ১৪ জন ব্যক্তি পরিচালক — যাদের বেশিরভাগের ঠিকানা একই ভবনে।
অন্তত চারটি সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবগত ছিলেন বলে আমাদের তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে। কেউ কেউ সরাসরি সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
শুরুর গল্প
২০২৫ সালের মাঝামাঝি একটি সাধারণ অডিট রিপোর্ট সবকিছু বদলে দেয়। সোনালী ব্যাংকের এক সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্রে অসামঞ্জস্য দেখা যায় — কিন্তু কেউ এটি খতিয়ে দেখার সাহস পায়নি।
যে নেটওয়ার্ক সামনে আসে
আমাদের প্রতিবেদক দল তিন মাস ধরে ৩২টি কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করেন। দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি কোম্পানির একই ১৪ জন ব্যক্তি পরিচালক — যাদের বেশিরভাগের ঠিকানা একই ভবনে।
ব্যাংকের ভূমিকা
অন্তত চারটি সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবগত ছিলেন বলে আমাদের তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে। কেউ কেউ সরাসরি সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
এরপর কী হবে
এই প্রতিবেদনের সিরিজে আমরা প্রকাশ করব — সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের নাম, লেনদেনের হিস্টরি, এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা। আগামী সপ্তাহে প্রকাশিত হবে পর্ব ২।

